বিয়েতে যেভাবে সাজবেন বর-কনের স্বজনরা!

bdnari87609বিয়ের আয়োজন শুরু হয়ে গেছে। আর বিয়ে মানেই তো জম্পেশ আড্ডা, আলোকসজ্জা, মঞ্চ সাজানো, সানাইয়ের সুর। বিয়ের অনুষ্ঠানগুলোতে বর-কনের সাজপোশাক তো গুরুত্বপূর্ণই। তবে এর পাশাপাশি কনে বা বরের মা, বোন, ভাবি, খালা কীভাবে সেজেছেন সেটাও কিন্তু খেয়াল করা হয়।

তাই কনে বা বরের পরিবারের এই মানুষগুলোর সাজে বেশ গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য সাজ, পোশাক, গয়না দিয়ে বিয়ের অনুষ্ঠানগুলোতে ঐতিহ্যবাহী, আধুনিক নানা ধরনের সাজেই নিজেদের সাজিয়ে নিচ্ছেন।

কিন্তু কিভাবে সাজলে নিজেকে একটু বেশী সুন্দর লাগবে এটা অনেকে বুঝেন না। তাই আজ দেয়া হলো বিয়ে বাড়িতে কিভাবে সাজবেন।

* কম বয়সীদের সাজ :

বিয়ের কথা পাকা করার দিনটি থেকে বৌভাত। তিন থেকে চারটি অনুষ্ঠানের আয়োজন সাধারণত হয়ে থাকে। বর বা কনের বোন থাকলে তো কথাই নেই। প্রতিটি অনুষ্ঠানে কনের পাশাপাশি তাদের সাজপোশাক কী হবে সেটা নিয়েও বেশ চিন্তায় থাকতে হয়।

আংটি পরানো বা ঘরোয়া কোনো বিয়ের অনুষ্ঠান থাকলে সেখানে গাউন পরতে পারে। কিশোরী অথবা তরুণীরা এখন লাল রঙের পোশাক খুব পরছে। এ ছাড়া গাঢ় নীল, ম্যাজেন্টা, কমলা, কালো, সোনালি, সবুজ রংটা বেশ চলছে।

তবে গাউনের ভেতরেও এখন বৈচিত্র্যময় কাট চলছে। মাটি পর্যন্ত লম্বা চাপা কাটের কামিজও পরা যেতে পারে। একটু ভিন্নতা আনতে দুপাশের কাটাটা কোমর থেকে শুরু হতে পারে। কিশোরীদের খুব বেশি ভারী কাজ করা পোশাক না পরাই ভালো। পোশাকের দিকে খেয়াল রাখতে গিয়ে অনুষ্ঠানের মজা থেকে বাদ পড়ে যেতে পারেন।

বিয়ের অনুষ্ঠানগুলোতে সাধারণ কাটের কামিজ না পরতে চাইলে আনারকলি অথবা নিচের দিকে উঁচু-নিচু কাটের কামিজ পরতে পারেন। সালোয়ারের বদলে সারারা বেছে নিন চাপা কাটের কামিজের সঙ্গে। সারারার সঙ্গে জমকালো নকশার ভিন্ন কাটের টপ পরা যেতে পারে। লেহেঙ্গা তো আছেই।

কিশোরী হলে চড়া মেকআপ ব্যবহার করলে এই বয়সের সৌন্দর্যটা মেকআপ ব্যবহারে ঢাকা পড়ে যায়। হালকা বা উজ্জ্বল রঙের লিপস্টিক, একটু কাজলের ছোঁয়াই যথেষ্ট। গয়নার মধ্য দিয়ে নিজের লুকে ভিন্নতা আনতে পারেন।
ডিজাইনার লায়লা খায়ের বলেন, ‘গাউনের সঙ্গে লম্বা ঝোলানো দুল পরতে পারে। গলায়, কানে, হাতে সব জায়গায় গয়না না পরে যেকোনো দুই-তিনটি জায়গায় গয়না পরতে পারে। মাথায় টিকলি বা ঝাপটা থাকলে গলায় কিছু না পরলেই ভালো। একইভাবে গলায় বড় আকারের মালা বা লকেট পরলে কানের দুলজোড়া না থাকলেও বেশ দেখাবে।

* বড়দের সাজপোশাক :

মা, খালা, ভাবি, চাচি, মামি— পরিবারের মানুষদের থাকতে হয় কাজের মধ্যে। অনেক সময় সাজার সুযোগটাও পান না তারা। কাজের চাপে পারলারে যেতে না পারলেও বাসাতেই একটু সময় নিয়ে সেজে নেয়া উচিত। ভিন্নতা আছে এমন শাড়ি ও গয়না বাছাই করুন।

সোনার গয়না দিয়েই সাজতে হবে এমন কোনো কথা নাই। এখন কাটাই কাজের গয়নার কদর বেড়েছে। এছাড়া বিডসের সঙ্গে বড় আকারের লকেটও পছন্দ করছেন অনেকে। আঙুলে বড় আংটি পরতে পারেন। বড় ঝোলানো গলার মালার সঙ্গে চোকারও পরতে পারে।

এককটি অনুষ্ঠানের জন্য একক ধরনের শাড়ি বেছে নিলেই ভালো হয়। যাদের বয়স অপেক্ষাকৃত কম তারা আধুনিক ধাঁচের শাড়িও পরতে পারেন। শিফন বা জর্জেটের ওপর জারদৌসির কাজ করা শাড়িগুলো আপনাকে বিয়েবাড়ির কাজেও কিছুটা স্বস্তি দেবে।

বয়স্ক ব্যক্তিরা স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করলে উজ্জ্বল রংগুলো বেছে নিতে পারেন। কনে বা বরের মা, খালা হলেই হালকা রঙের শাড়ি পরতে হবে এই ধারণা এখন আর নেই। সিল্ক বা কাতানের পাশাপাশি জামদানি শাড়ি স্নিগ্ধ কিন্তু অভিজাত ভাব এনে দেবে।

[ বিঃ দ্রঃ প্রতিদিন মজার মজার রান্নাকরার অসাধারন সব রেসিপি এবং রুপ লাবণ্য টিপস আপনার ফেসবুক টাইমলাইনে পেতে আমাদের পেইজে লাইক দিন!

আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিতে এইখানে ক্লিক করুন

Updated: April 19, 2016 — 6:52 am
bangladeshi women's lifestyle © 2015-2016, ই-মেইলঃ bdnari.com@gmail.com Serverdokan TEAM