প্রিয়জনের দুঃসময়ে পাশে থাকার সেরা কৌশল!

bdnari4378774শুধু সুসময় নয়, দুঃসময়ের বন্ধু হওয়াই সত্যিকার বন্ধুত্বের পরিচয়। তবে বন্ধুর খুব বাজে সময়ের আসল বন্ধু হওয়ারও কিছু পদ্ধতি রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা ৭টি উপায় বাতলে দিচ্ছেন যার মাধ্যমে আপনারা কাছের বন্ধুর অসময়েও পাশে থাকতে পারবেন। প্রেমিক বা প্রেমিকা অথবা বন্ধু-বান্ধবী অথবা যেকোনো সঙ্গী বা সঙ্গিনি যাকে আপনি ভালোবাসেন, তার পাশে থাকতে হলে নিচের উপায়বগুলো আত্মস্থ করে ফেলুন।

* কথা শুনুন : সুসময় বা দুঃসময় যাই হোক না কেনো, বন্ধুর পাশে থাকার অন্যতম একটি উপায় হলো তার কথা শোনা। তার সমস্যা বা আনন্দের কথা শোনার সময় আপনার মোবাইলে মনযোগ দেওয়া বা বারবার অন্য প্রসঙ্গ তোলা হলে আপনার সঙ্গী বা সঙ্গিনী ভাবতেই পারেন যে, আপনি আসলে তাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন না।

* পুনরাবৃত্তি করুন : প্রেমিক বা প্রেমিকা অথবা কাছের বন্ধুর গোটা বক্তব্য তো শুনবেনই, এরপর তার পুনরাবৃত্তি করে জটিল প্রসঙ্গ নিয়ে আবার আলোচনা করতে পারেন। এতে সে বুঝবে যে আপনি তার কথা যথেষ্ট মনযোগ দিয়ে শুনেছেন এবং দ্বিতীয়ত তার ভুল কোনো ধারণা ভেঙে দিতে আপনি সচেতন।

* জিজ্ঞাসা করুন : যেকোনো সমস্যাতে সাধারণত মানুষ নিজেদের নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখে। এ ক্ষেত্রে তাদের পরামর্শ দিতে এমন কাউকে প্রয়োজন যে তাকে ইতিবাচক পথের দিশা দেবে। এ জন্য তাদের সমস্যা সমাধানে প্রশ্ন করুন। দেখবেন, একই ঘটনা আবার শুনতে চাইলে হয়তো এখন তিনি তা অন্যভাবে বর্ণনা করছেন।

* নিজের সীমাবদ্ধতা ধরে রাখুন : সঙ্গী বা সঙ্গিনীর পাশে থেকে তার খারাপ সময় দূর করার প্রচেইষ্টায় আপনার নিজের সীমাবদ্ধতার দিকে নজর রাখতে হবে। তাদের সমস্য থেকে তুলে আনার জন্য আপনারও যথেষ্ট গ্রহণযোগ্যতা ও সামর্থ্য থাকতে হবে। তাদের সমস্যার ধরন এমন হতে পারে যে, এতে আপনার প্রবেশ অধিকার নেই। কাজেই সেখানে প্রবেশের আগে বুঝে নিন সেখান থেকে বের হতে পারবেন কিনা।

* একটু হাসি দিন : বন্ধুর দারুণ কোনো ক্ষতিতে বা হারানোর বেদনায় আপনি তার পাশে খড়কুটো। এমব নিদারুণ মুহুর্তে আপনার এক টুকরো হাসি তাকেও হাসাবে। অথবা তাকে সাহস দিতে এমন কিছু বলুন যেনো আপনার বন্ধু আশ্বাস পেয়ে একটু হাসেন। এ ক্ষেত্র আপনার মুখে এক চিলতে হাসির কোনো বিকল্প নেই।

* বুকে টেনে নেয়াটা দারুণ কিছু দিতে পারে : তার সঙ্গে আপনার শারীরিকভাবে স্পর্শ করার সম্পর্ক নাও থাকতে পারে। কিন্তু চরম মুহুর্তে অসহায় বিপদগ্রস্ত কাউকে সাহস দিয়ে বুকে টেনে নিয়ে স্বান্তনা দেয়ার মতো চমৎকার উপায় কি আর আছে?

* সৎ থাকুন : সবকিছুই সততার সঙ্গে করবেন। তার জন্য আপনি কতোটা উদগ্রীব তা বুঝতে দিন। নিজেকে প্রশ্ন করুন আপনি তার জন্য কতোটা করতে ইচ্ছুক। তার চেয়েও বেশি করতে চাইলে উজাড় করে দিন।

[ বিঃ দ্রঃ প্রতিদিন মজার মজার রান্নাকরার অসাধারন সব রেসিপি এবং রুপ লাবণ্য টিপস আপনার ফেসবুক টাইমলাইনে পেতে আমাদের পেইজে লাইক দিন!

আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিতে এইখানে ক্লিক করুন

Updated: November 16, 2016 — 3:21 pm
bangladeshi women's lifestyle © 2015-2016, ই-মেইলঃ bdnari.com@gmail.com Serverdokan TEAM